Summary
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ এবং পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী। তিনি কলকাতা ও ঢাকায় শিক্ষাজীবন কাটান এবং সাংবাদিকতা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
বাংলা কথাসাহিত্যের বিশিষ্ট রূপকার হিসাবে তিনি ধর্মীয় সামাজিক কুসংস্কার, মূল্যবোধের অবক্ষয় ও মানবমনের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রদর্শন করেছেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে 'লালসালু', 'চাঁদের অমাবস্যা' এবং 'কাঁদো নদী কাঁদো'। এছাড়াও তাঁর গল্পগ্রন্থ 'নয়নচারা' এবং নাটক 'বহিপীর', 'তরঙ্গভঙ্গ', 'সুড়ঙ্গ' উল্লেখযোগ্য।
তিনি সাহিত্যে অবদানের জন্য আদমজী পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন। তিনি ১৯৭১ সালের ১০ই অক্টোবর প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ আহমদউল্লাহ্। তাঁদের পৈতৃক নিবাস ছিল নোয়াখালী। কলকাতা ও ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে তাঁর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত হয়। সাংবাদিকতা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু। দেশে-বিদেশে সরকারের বিভিন্ন উচ্চতর পদে তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন। বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার, জীবনসন্ধানী ও সমাজ-সচেতন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র রচনায় উজ্জ্বল রূপে প্রতিফলিত হয়েছে ধর্মীয় সামাজিক কুসংস্কার, মূল্যবোধের অবক্ষয়, মানবমনের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রভৃতি। বাংলাদেশের কথাশিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেছেন তিনি। ‘লালসালু', ‘চাঁদের অমাবস্যা ও ‘কাঁদো নদী কাঁদো' তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস। তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে- গল্পগ্রন্থ : 'নয়নচারা’ এবং ‘দুই তীর ও অন্যান্য গল্প'; নাটক : ‘বহিপীর’, ‘তরঙ্গভঙ্গ' ও 'সুড়ঙ্গ'। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক (মরণোত্তর) পেয়েছেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১-এর ১০ই অক্টোবর তিনি প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।
Read more